পৃথিবীর জনসংখ্যা হু হু করে বাড়ছে। দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর ফলে সঙ্কট বাড়ছে প্রতিদিন। বিপদ আগেই টের পেয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা। তাই বিকল্পের সন্ধান চলছিল দীর্ঘদিন ধরে। তাতে কিছুটা সাফল্যও পাওয়া গিয়েছে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, মঙ্গলই হতে পারে আমাদের ভবিষ্যতের ঠিকানা। সেখানে বসতি তৈরির প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে।
বিভিন্ন দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মিলে ‘মার্স ওয়ান প্রজেক্ট’-এর কাজ শুরু
করেছে ইতিমধ্যেই। এর আওতায় ২০৩২ সালের মধ্যে মঙ্গলগ্রহে উপনিবেশ গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া
হয়েছে। ঘর-বাড়ি, প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা-সহ ছোট ছোট এলাকা গড়ে তোলা হবে। দফায় দফায়
সেখানে পাঠানো হবে মহাকাশচারীদের। দেখা হবে, পৃথিবীর মতো সেখানেও সাধারণ জীবন যাপন
করা সম্ভব কি না।
প্রতিকূল পরিস্থিতির জন্য বিশেষ
বন্দোবস্ত তো দরকার! সেই উদ্যোগও শুরু হয়ে গিয়েছে। কাজ শুরু করে দিয়েছে নিউইয়র্কের
এআই স্পেস ফ্যাক্টরি সংস্থা। মঙ্গলের আবহাওয়ার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কেমন ঘর-বাড়ি
তৈরি করা যায়, তার পরিকল্পনা শুরু করে দিয়েছেন সংস্থার ইঞ্জিনিয়ার
এবং কয়েকটি বাড়ি দেখতে খানিকটা মাটির তৈরি উল্টোনো ফুলদানির মতো। তবে ঝাঁ চকচকে।
ধূলো ঝড় ও রুক্ষ আবহাওয়ায় কোনও ক্ষতি হবে না। উচ্চতা বেশি হওয়ায় জায়গা মিলবে অনেকটা।
ল্যাব, রান্নাঘর, শোওয়ার ঘর সমেত সংসার সাজিয়ে দেওয়া হবে মহাকাশচারীদের।
কিছু বাড়ি আবার অর্ধেক ভাঙা ডিমের খোসার মতো দেখতে। ব্যাসল্ট শিলা এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য
বায়োপ্লাস্টিক দিয়ে বাড়িগুলি তৈরি করা সম্ভব। বাইরে এবং ভিতরে দু’টি আলাদা আবরণ থাকবে।
ভিতরে সবরকম আধুনিক সুযোগ-সুবিধা মিলবে।
বিভিন্ন দেশের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা মিলে ‘মার্স ওয়ান প্রজেক্ট’-এর কাজ শুরু করেছে ইতিমধ্যেই। এর আওতায় ২০৩২ সালের মধ্যে মঙ্গলগ্রহে উপনিবেশ গড়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ঘর-বাড়ি, প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা-সহ ছোট ছোট এলাকা গড়ে তোলা হবে।
কিছু বাড়ি আবার অর্ধেক ভাঙা ডিমের খোসার মতো দেখতে। ব্যাসল্ট শিলা এবং পুনর্নবীকরণযোগ্য
বায়োপ্লাস্টিক দিয়ে বাড়িগুলি তৈরি করা সম্ভব। বাইরে এবং ভিতরে দু’টি আলাদা আবরণ থাকবে।
ভিতরে সবরকম আধুনিক সুযোগ-সুবিধা মিলবে।
দিনের বেলা জানলা দিয়ে সূর্যের আলো এসে পড়বে ঘরে। আবার সূর্যের আলোকে কাজে
লাগিয়েই ল্যাবের কাজকর্ম সারা হবে। রান্নাবান্নাও হবে সৌরশক্তির মাধ্যমে। চাইলে গাছপালাও
লাগাতে পারবেন মহাকাশচারীরা। ফলাতে পারবেন শাক-সবজি। তার জন্য ঘোরানো সিঁড়ি দিয়ে বাগানে
নেমে আসতে হবে।
ইগলুর অনুকরণে মঙ্গলে বরফের তৈরি বাড়ি-ই বসবাসের আদর্শ জায়গা বলে মত বিজ্ঞানীদের।
কারণ মঙ্গলে মাটির তলায় প্রচুর বরফ রয়েছে। তাই বাড়ি তৈরির উপাদানে ঘাটতি দেখা দেবে
না। আবার বরফ তেজস্ক্রিয় বিকিরণ প্রতিরোধেও সক্ষম।
মঙ্গলের গ্রহে ষড়ভুজাকৃতি বাড়িও মন্দ লাগবে না বলে ধারণা বিজ্ঞানীদের।
দেড় হাজারবর্গফুট জায়গাতেই হয়ে যাবে এই বাড়ি। চাপ ও গ্যাসের ভারসাম্য রাখতে বাড়ির
ছাদটি খোলা বা বন্ধ করা যাবে। ডিজাইনগুলি পছন্দ হয়েছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা
নাসার।




